০৭৮১-৫৩৫০১ (অফিস) ceo@zpchapainawabganj.gov.bd

চেয়ারম্যান


মঈন উদ্দিন মন্ডল

প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা


মোহাঃ আব্দুর রউফ তালুকদার

আজকের দিন-তারিখ

  • বৃহস্পতিবার
  • ১৮ই জুলাই, ২০১৯ ইং
  • ১৫ই জিলক্বদ, ১৪৪০ হিজরী
  • ৩রা শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ ( বর্ষাকাল )

আমাদের ঠিকানা

জেলা পরিষদ কার্যালয়:
হুজরাপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৬৩০০
ফোন:০৭৮১-৫৩৫০১ (অফিস)
ফ্যাক্স:০৭৮১-৫২৪১৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জ নামটি সাম্প্রতিককালের। ইতঃপূর্বে এই এলাকা ‘নবাবগঞ্জ’ নামে পরিচিত ছিল। চাঁপাইনবাবগঞ্জের নামকরণ সম্পর্কে জানা যায়, প্রাক-ব্রিটিশ আমলে এ অঞ্চল ছিল মুর্শিদাবাদের নবাবদের বিহারভূমি এবং এর অবস্থান ছিল বর্তমান সদর উপজেলার দাউদপুর মৌজায়। নবাবরা তাঁদের পাত্র-মিত্র ও পারিষদসহ এখানে শিকার করতে আসতেন বলে এ স্থানের নাম হয় নবাবগঞ্জ। বলা হয়ে থাকে যে, বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার নবাব সরফরাজ খাঁ (১৭৩৯-৪০ খ্রি) একবার শিকারে এসে যে স্থানটিতে ছাউনি ফেলেছিলেন সে জায়গাটিই পরে নবাবগঞ্জ নামে পরিচিত হয়ে উঠে। তবে অধিকাংশ গবেষকের মতে, নবাব আলীবর্দী খাঁর আমলে (১৭৪০-৫৬ খ্রি) নবাবগঞ্জ নামকরণ হয়।

অষ্টাদশ শতকের প্রথম ও মধ্যভাগে বর্গীর ভয়ে পশ্চিমবঙ্গ থেকে লোকজন ব্যাপকভাবে এ এলাকায় এসে বসতি স্থাপনের ফলে সহানটি এক কর্মব্যস্ত জনপদে পরিণত হয়। কালক্রমে নবাবগঞ্জের নাম চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। নবাবগঞ্জের ডাকঘর চাঁপাই গ্রামে অবস্থিত হওয়ায় নবাবগঞ্জ তখন ‘চাঁপাইনবাবগঞ্জ’ নামে পরিচিত হয়।

জেলা পরিষদের ইতিহাস

১৮১৬ এবং ১৮১৯ সালের স্থানীয়ভাবে ফেরী ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষন, সড়ক/ সেতু নির্মান ও মেরামতের জন্য বৃটিশসরকার কর্তৃক কর ধার্যের আইন প্রনীত হয়। ১৮৭০ সালে বেঙ্গল চৌকিদারী আইন প্রণয়ন করে।

১৮৭০ সালে গ্রাম চৌকিদারী আইন পাশের মাধ্যমে পল্লী অঞ্চলে এক স্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান স্থাপিত হয়।

বিস্তারিত

এক নজরে চাঁপাই নবাবগঞ্জ

আয়তন: ১,৭০২.৫৬ বর্গ কিঃমিঃ, নির্বাচনী এলাকা: ৩টি ৪৩-চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) ৪৪-চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ (নাচোল, ভোলাহাট ও গোমস্তাপুর) ৪৫-চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) মোট ভোটার সংখ্যা (পুরুষও মহিলা), মোট ভোটার সংখ্যাঃ ৯,১৮,১৮৪ জন পুরুষঃ ৪,৪৪,৪৪৭ জন মহিলাঃ ৪,৭৩,৭৩৭ জন

বিস্তারিত

ঐতিহাসিক স্থান

রেশম বীজাগারের চিমনী

ভোলাহাট থানা ভবনের দক্ষিণ পাশে রেশম বীজ উৎপাদন কেন্দ্রের চত্বেও ঊনিশ শতকের প্রথম দিকে তৈরী চিমনীটির অবস্থান। এর উচ্চতা ৪৫ ফুট প্লিস্থ (ভিত) ৪ ফুট উঁচু। প্রতিটি বাহুর পরিধি ৮.৫ ফুট। চিমনীটির ৩৬ ফুটের মাথায় গোলাকৃতি খিলান তৈরী কেও সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। খিলনের দৈর্ঘ্য ২ ফুট এর ওপেও ৩ ফুট গোলাকৃতি ভাবে ইটগাঁথা রয়েছে। চিমনীটি ইটের তৈরী। জনশ্রুতি রয়েছে যে, এটি নীল উৎপাদনের কাজে ব্যবহার করা হত।

বিস্তারিত

মুক্তিযুদ্ধে চাঁপাইনবাবগঞ্জ

মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে চাঁপাইনবাবগঞ্জবাসীর অংশগ্রহণ ছিল সর্বাত্মক ও স্বতঃস্ফূর্ত। স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা ও জনসাধারণের বীরত্বপূর্ণ লড়াইয়ে মুক্তিযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরকে পাকবাহিনীর কবল থেকে মুক্ত করা সম্ভব হয়। ১০ ডিসেম্বর তারিখে মুক্তিযোদ্ধারা মহানন্দা নদীর অপর পাড় থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহর দখলের জন্য অগ্রসর হন। ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর তৎকালীন সেক্টর কমান্ডার কাজী নূরুজ্জামানের নির্দেশে প্রায়..

বিস্তারিত